১।
প্রথমেই আছে পাইরেটস অব দ্যা ক্যারিবিয়ান সিরিজের মুভি এ্যাট দ্যা ওয়ার্ল্ডস ইন্ড।

মুভির
কাহীনি হল, ক্যাপ্টেন জ্যাক স্পেরোকে ড্যাড আইল্যান্ড থেকে মুক্ত করার
জন্যে। মুভিটা আমি দেখতে গিয়েও দেখি নাই। মুসলিম হলে সিনেমা দেখতে গিয়া
অন্য কাজে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছিলাম। এত টাকা ব্যয় করা হয়েছে এই মুভির পিছনে।
নির্ঘাত ভাল মুভিই হবে। তবে পাইরেটস সিরিজ গুলোর প্রতি এক রহস্যময় কারণে
আমার আগ্রহ নাই। এই মুভির নির্মান ব্যয় ছিল ৩০০ মিলিয়ন ডলার।
প্রিন্ট প্রিভিউঃ

ডাউনলোড লিংকঃ
সাইজঃ ৪০০ মেগাবাইটস
পাসওয়ার্ডঃ
moviesnhacks
২।
দ্বীতিয়
কাতারে আছে ডিজনি পিকচারসের সদ্য রিলিজ হওয়া এনিম্যাটেড মুভি ট্যাঙ্গল্ড।
এটি এনিম্যাটেড মুভি হওয়া সত্বেও এর পেছনে খরচ হয়েছে ২৬০ মিলিয়ন ডলার।

কাহীনি
অত্যন্ত সোজা এবং রেপানজেল নামের এক জার্মানী ফেয়ারি টেলের উপর নির্মিত।
লম্বা চুলের রাজকন্যা উচু টাওয়ারে বন্দীদশায় পড়ে আছে। একটা চোর সেই
রাজকন্যার রূপে বেদিশা হয়ে যায়। রাজকন্যা তার লম্বা চুল টাওয়ারের জানালা
দিয়ে নিচে ফেলে দিলে চোর গিয়ে রাজকন্যাকে উদ্ধার করে। এরকম মেরিল বিউটি
লোশনের একটা এ্যাডও আছে। কিন্তু এরপরে সাধারণ পৃথিবীতে এসে রাজকন্যা কিভাবে
ম্যানেজ করে এটাই মুভির মৌলিক জিনিস।
প্রিন্ট প্রিভিউঃ

ডাউনলোডঃ
সাইজঃ ৩০০ মেগাবাইটস
পাসওয়ার্ডঃ
GetMediaFire.com
৩।
স্পাইডারম্যান সিরিজের তিন নাম্বার মুভিটা ব্যায়ের দিক দিয়েও তিন নাম্বারে আছে। এর নির্মান ব্যয় ২৫৮ মিলিওন ডলার।

এই
মুভিতে স্পাইডারম্যান বিপাকে পড়ে নানান ধরণের নতুন শত্রুর কবলে। তার বন্ধু
হায়রি অসবর্ণও তার বাবার গবলিন ড্রেস ধারণ করে পিতা হত্যার প্রতিশোধ নিতে
রেডি হয়ে যায়। এইদিকে স্পাইডার ম্যান বা পিটারও তার আংকেলের হত্যাকারীকে
হত্যা করার জন্যে লাফাইতেছে। এর মাঝে ভেনম স্পাইডারম্যানকে তার বদশক্তি
দিয়া গ্রাস করে। স্পাইডার ম্যান স্যান্ডম্যানকে তার চাচার হত্যাকারী ভাবতে
থাকে। শেষ পর্যন্ত ছবি মিলে যায়। আগামী ছবিতে আর এই স্পাইডারম্যান মানে টবি
মাগুইরাকে আর রাখা হবে না।
প্রিন্ট প্রিভিউঃ

ডাউনলোডঃ
সাইজঃ ৪০০ মেগাবাইটস
পাসওয়ার্ড : moviesnhacks
৪।
হ্যারি পটার হাফ ব্লাড প্রিন্স আছে চতুর্থ অবস্থানে। এর নির্মান খরচ ২৫০ মিলিয়ন ডলার।

হগওয়ার্টসের
ষষ্ঠ বছর। লর্ড ভলডেমর্ট আর তার হ্যান্সম্যান আগের চেয়ে অধিক ভয়ানক।
প্রফেসর ডাম্বেলডোরের অনুরোধে রিটায়ার করা প্রফেসর হরেস স্লাগহর্ন আবার
হগওয়ার্টসে ফিরেন। এই মুভিতে আর কোনো স্পেশাল ঘটনা নাই। তবে এই অর্ডার অফ
ফিনিক্সের পর থেকে হ্যারি পটার মুভি গুলাতে কিছুটা সুক্ষভাবে রোমান্সের
নামে সেক্সুয়্যালিটি ঢুকানোর বদ চেষ্টা করা হচ্ছে। এইটা অবশ্য প্লাস
পয়েন্ট।
প্রিন্ট প্রিভিউঃ
ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিংক (রিজিউমেবল)
সাইজঃ ৫০০ মেগাবাইটস
৫।
এভাটার হল পাঁচ নাম্বার স্থানে। ২৩৭ মিলিয়ন ডলার এর পেছনে ব্যয় হয়।
২১৫৪
খ্রিষ্টাব্দের কথা, প্যান্ডোরা নামের এক কাল্পনিক গ্রহ আর সেই গ্রহের আজীব
জীব না'ভিদের নিয়া এই মুভির কাহীনি। জ্যাক সুলিকে দিয়ে এভাটার প্রোগ্রামের
জন্যে প্যান্ডোরা সম্পর্কে তথ্য বাহির করার জন্যে না'ভিদের মত করে
হাইব্রিড বডিতে ট্রান্সফর্ম করা হয়। জঘন্য স্টোরি। এরপর গিয়া নায়িকা
নেয়েত্রীর সাথে প্রেম হয়ে যায়। কারণ না'ভিরাও মানুষ। শেষে না'ভিদের উপর
কর্ণেল মাইলস হামলা করে বসলে জ্যাক না'ভিদের রক্ষা করার চেষ্টা করে।
প্রিন্ট প্রিভিউঃ

ডাউনলোডঃ
সাইজঃ ৫৬০ মেগাবাইটস
পাসওয়ার্ডঃ 300mbfilms.com
সূত্রঃ
উইকিপেডিয়া